৭ নভেম্বর : সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিপ্লব ও বাংলাদেশের নবজাগরণ

1

মো. জহিরুল ইসলাম (জহির)

[ গতকালের বাকি অংশ ]
একটি আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে সংস্কৃতির গুরুত্ব অপরিসীম। এ সত্য উপলব্ধি করে বাংলাদেশের সংস্কৃতির অগ্রগতির জন্য রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নানামুখী কর্ম উদ্যোগ হাতে নিয়েছিলেন। ১৯৮০ সালে তিনি একটি পৃথক ও স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় হিসেবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন। দেশজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, পুরাতত্ত¡, স্থাপত্য, ভাস্কর্য, গ্রন্থাগার উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক পরিবেশের উৎকর্ষ সাধন, বাংলা ভাষার উন্নয়ন, সমকালীন শিল্প ও সাহিত্য সংরক্ষণ এবং গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে জাতির মানসিক বিকাশ ও উৎকর্ষ সাধন এ মন্ত্রণালয়ের কার্যপরিধিভূক্ত। একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জিয়াউর রহমান পারস্পরিক সমঝোতা ও বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে শান্তি ও অগ্রগতি অর্জনের লক্ষ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ার প্রয়াস নেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর জিয়া বাংলাদেশের ক‚টনৈতিক নীতিমালায় বিশেষ পরিবর্তন আনেন। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা, দেশের স্বার্থ সুরক্ষা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নতি ইত্যাদি উদ্দেশ্য সামনে রেখে নতুন পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করা হয়। কোনো বিশেষ পথ-মতের রাষ্ট্রশক্তি নয়, বরং সব পথ-মতের অর্থাৎ দক্ষিণ, মধ্য ও বামপন্থী রাষ্ট্রগুলোর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠাই ছিল জিয়া সরকারের পররাষ্ট্রনীতির বিশেষ দিক। তাঁর সময়ে মুসলিম বিশ্ব, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে ক‚টনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও বিদ্যমান সম্পর্কের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটে। উল্লেখ্য যে, জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় আরোহণ পূর্বে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রায় নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছিল বলা যায়। এহেন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য জিয়া দক্ষিণ, মধ্য ও বামপন্থী সব ধরনের মতাদর্শের অনুসারীদের মধ্য থেকে বন্ধু জুটিয়ে ও তাদের সঙ্গে কার্যকর সহমর্মিতার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্রকে মজবুত ভিত্তিতে স্থাপন করেন। বাংলাদেশ পঞ্চাশটিরও অধিক মুসলিম দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রতি তেমন বন্ধুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেনি এমন পরাশক্তি নতুন পরিস্থিতিতে ভালো বন্ধুতে পরিণত হয়। চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপিত হয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো পরস্পরের প্রতি ইউরোপও বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে। জিয়ার শাসনামলেই আল কুদসের বীর্থ কমিটি, ইসলামিক সলিডারিটি কমিটি, ইরাক, মিটিসহ মুসলিম ও আরব বিশ্ব সংক্রান্ত বিভিন্ন কমিটিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ পদ লাভ করে। তখন বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কার্যক্রমের সাথেও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হয়। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের একটি অস্থায়ী আসনে সদস্য নির্বাচিত হয়। জিয়াউর রহমান দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা উদ্ভাবন করেন। ‘দাক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা’-সার্ক তাঁর চিন্তা ও প্রয়াসের ফসল। একুশে পদক ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার চালু : বাংলাদেশে একুশে ও স্বাধীনতা পদক নামে দু’টি সম্মানজনক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রবর্তন শহীদ জিয়াউর রহমানের অনবদ্য অবদান। ‘একুশে পদক’ হলো বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের মহান স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাঁদের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণের লক্ষ্যে ১৯৭৬ সালে শহীদ জিয়াউর রহমান একুশে পদক চালু করেন। সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও সারিদ্য বিমোচন, শিল্প-সংস্কৃতি, সঙ্গীত, নৃত্য, চারুকলা, নাট্যাভিনয়, ভাস্কর্য এবং ভাষা আন্দোলনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ পদক প্রদান করা হয়ে থাকে। ১৯৭৬ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমান কর্তৃক বঙ্গভবনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ মোট নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদক প্রদানের মধ্য দিয়ে একুশে পদক চালু হয়। স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান এ পুরস্কার প্রবর্তন করে। জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১৯৭৭ সালে ১০ জন (৫ জন মরণোত্তর) বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে জাতীয় জীবনে তাঁদের অসাধারণ অবদানের জন্য ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার’ সম্মাননায় ভূষিতকরণের মাধ্যমে শহীদ জিয়া এ পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেন।
শহীদ জিয়ার প্রাপ্ত খেতাব, সম্মাননা ও পুরস্কার : রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেশ বিদেশে অনেক খেতাব, সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি হিলাল-ই-জুরাত খেতাব লাভ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, একজন সফল সেক্টর কমান্ডার এবং মুক্তিবাহিনীর জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে রণাঙ্গণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জিয়াউর রহমান ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। ১৯৭৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম ইল সুং প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব হিরো অব দ্যা রিপাবলিক প্রদান করেন। মিশর সরকারের পক্ষ থেকে জিয়াকে প্রদান করা হয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব Order of the Nile। যুগোস্লোভিয়া সরকারের পক্ষ থেকে জিয়াকে প্রদান করা হয় সর্ব্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পদক অর্ডার অব দ্যা যুগোস্লোভ স্টার। রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় কৃতিত্বের জন্য জিয়াকে ‘দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক কর্তৃকও বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছিল। বাংলাদেশে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের বায় শহীদ জিয়ার নামে নামকরণ করা হয়েছিল। খুনী ফ্যাসিস্ট হাসিনা জিয়াউর রহমানের প্রতি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বশতঃ বিমানবন্দরসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের নাম থেকে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলেছে।
বহির্বিশ্বে আমেরিকার শিকাগোতে জিয়াউর রহমানের সম্মানে ‘জিয়াউর রহমান ওয়ে’ করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান ওয়ে শিকাগো শহরের রজার্স পার্ক এধাকার ৬৮০০ নর্থ ক্লার্কের ওয়েস্ট প্রাই ফ্লন্ডারের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত থেকে ২৭৫০ নর্থ ক্লার্কের পশ্চিম কলম্বিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্ত নিয়ে বিস্তৃত। শিকাগো সিটি কাউন্সিল ২০১৪ সালে রজার্স পার্ক এলাকার, নর্থ ক্লার্ক স্ট্রিট-এব একাংশকে বাংলাদেশের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর নাম অনুসারে সম্মানসূচক জিয়াউর রহমান ওয়ে নামকরণ করে। জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবরণের পর তুরস্ক সরকার তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শনার্থে রাজধানী আঙ্কারা একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নাম ‘জিয়াউর রহমান ক্যাডেসি’ রাখে।
২০০৪ সালে বিবিসির বাংলা পরিসেবা মাধ্যম ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি’ শিরোনামে পরিচালিত জরিপে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ ২০ জন বাঙালির তালিকায় জিয়াউর রহমান ১৯তম বাঙালি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান ও একজন বীরউত্তম খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ জিয়া ছিলেন বাংলার আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র। স্বাধীনতা উত্তর দুর্ভিক্ষ পিড়িত জনগণ শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর যখন শুধু অনিশ্চয়তা আর হতাশা ছাড়া কিছুই চোখে দেখছিল না, ঠিক তখনই জিয়া জ্বালিয়েছিলেন আশার আলো, বাংলাদেশের জনগণ বুকে বেঁধেছিল অনেক বড় স্বপ্ন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছেন এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিপ্লবের মাধ্যমে এদেশের জনগণের হ্নদয়ের মনিকোঠায় জায়গা করে নেন শহীদ জিয়া। বাংলাদেশের নবজাগরণ ঘটিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়াউর রহমান দৈশিক স্বাধীনতা অটুট রাখার গ্যারান্টি খুঁজে পেয়েছিলেন তার প্রণীত স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে। কুশলতা ও দক্ষতার সমন্বয়ে জিয়াউর রহমান তার স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি তৈরি করেছিলেন ‘ব্যালান্স অব পাওয়ার’-এর নীতিতে। আঞ্চলিক শক্তির ক্ষমতাকে ব্যালান্স করতে সেই শক্তির সাথে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের শক্তিশালী দেশগুলোকে একই সুতায় বাঁধতে সক্ষম হয়েছিলেন। এই নীতিরই বর্ধিত প্রকাশ হচ্ছে ‘সার্ক’। ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়’ জিয়াউর রহমান এই কালজয়ী নীতির প্রয়োগেই সেই সময় আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা একটি উচ্চমাত্রায় উন্নীত হয় এবং তিনি দুনিয়াজুড়ে ভূয়সী প্রশংসা লাভ করেন।
বাংলাদেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির এক বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে অধিষ্ঠিত করে জিয়া ইতিহাসে নিজের অক্ষয় স্থান নিশ্চিত করেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন, সময়োপযোগী গতিশীল পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের স্বতন্ত্র অবস্থান ও গতিপথ নির্ধারণ এসব বহুমাত্রিক সাফল্যের কথা সুবিদিত এবং বহুল চর্চিত। শহীদ জিয়া ছিলেন মাটি ও মানুষের নেতা। এ দেশের গরিব মেহনতি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ছিল তার অন্যতম জীবন সাধনা।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা ব্যক্তি ও মহান রাষ্ট্রনায়ক। জিয়া বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। জাতীয় ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে একজন পরিত্রাণকারী হিসেবে রাজনীতিতে জিয়ার আবির্ভাব। তিনি শতধা বিভক্ত জাতিকে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করেছেন। জিয়া দেশপ্রেমে উজ্জ্বল এক অনুভূতির নাম। ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ’- ছিল জিয়ার বিশ্বাস ও ধ্যান। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে শুধু রাজনীতি, প্রশাসন, অর্থনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির তার কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেননি, স্বাধীন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতেও তার বলিষ্ঠ ভূমিকা ও অবদান রেখে গেছেন। ইতিহাস থেকে কারো অবদান জোর করে মুছে দেয়া যায় না। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে সাময়িকভাবে জিয়াকে হেয় করা, তার সোনালি অবদানকে অস্বীকার করার অপতৎপরতা আমরা দেখছি। কিন্তু এ অপপ্রয়াস সফল হয়নি। জিয়াকে ভুলিয়ে দেয়া, তার অবদানকে মুছে ফেলার সাধ্য এ দেশে কারো হবে না। জিয়া থাকবেন দেশপ্রেমিক বিবেকবান প্রতিটি মানুষের অন্তরে এক জীবন্ত প্রত্যয় হিসেবে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম কে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
লেখক : বি.এস.সি ইন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, এল.এল.বি, সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল