৩ জনকে কারাদন্ড ও জরিমানা ড্রেজার জব্দ

3

হাটহাজারী প্রতিনিধি

দেশের অন্যতম মিঠা পানির প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র চট্টগ্রামের হালদা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিন ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা অর্থদন্ড ও ১৫ দিনের কারাদন্ড দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। গতকাল সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের রামদাস মুন্সির হাটে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদ আরমান এই অভিযান পরিচালনা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আব্দুল্লাহ আল মুমিন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন চট্টগ্রামের কালুরঘাট এলাকার বাসিন্দা মো. ইউছুপ ব্যাপারীর ছেলে মো. ইব্রাহিম, আবদুল মালেকের ছেলে মো. হান্নান ও আজিজুল হক ব্যাপারীর ছেলে মো. সবুজ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, হালদা নদীর মদুনাঘাট এলাকায় সকালে নদী থেকে একটি চক্র ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন পরবর্তী পরিবহন করে নদীর উপরের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এসময় পাহারাদার আইয়ুব বাবলু, আদিল, আলাউদ্দিন, হোসাইন, আলমগীর, সায়েম ও প্রান্ত বড়ুয়া ড্রেজারটিকে আটক করেন। পরে উত্তর মাদার্শা রামদাস মুন্সির হাটস্থ অস্থায়ী নৌ-পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।
খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহেদ আরমান দ্রæত ঘটনাস্থলে গিয়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে ঘটনার সাথে জড়িত তিন ব্যক্তিকে আটক করেন। তাদের অপরাধ স্বীকারোক্তি ও সামগ্রিক অপরাধ বিবেচনায় তাদেরকে ১৫ দিনের কারাদন্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন। জব্দকৃত ড্রেজারটি হালদা অস্থায়ী নৌ-পুলিশ ক্যাম্পে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।
হালদা নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শওকত আলী, হালদা অস্থায়ী নৌ-পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (এএসআই) রমজান আলী, ডিম সংগ্রহকারী সমিতির সভাপতি শফিউল আলম, সাধারণ সম্পাদক হোসাইন এবং হালদার সংশ্লিষ্ট পাহারাদাররা।