পেকুয়া প্রতিনিধি
১৮ বছর ধরে সংস্কারহীন পেকুয়া রাজাখালী লালজান পাড়া থেকে সবুজ বাজার পর্যন্ত দুই কিলোমিটারের সড়কটি। এটি সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল ২৫ নভেম্বর বিকাল ৪ টায় এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। সড়কের পুরো অংশ খানা-খন্দে একাকার। শিশু ও বৃদ্ধরা হাঁটতেও পারেন না। রোগীকে হাসপাতালে নিতে গেলে দোলনা ছাড়া উপায় নেই। এই সড়ক দিয়ে ৫টি স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছাড়াও রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ, সবুজ বাজারসহ পার্শ্ববর্তী টইটং বারবাকিয়া ইউনিয়ন এবং উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগে দৈনিক ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এই রাস্তায় ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ১০টি মসজিদ, ২টি বাজার ইউনিয়ন পরিষদের সেবাপ্রার্থী ছাড়াও লবণ ও চিংড়ি চাষাবাদের লোকজন নিয়মিত চলাচল করেন।তাদেরকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
মানববন্ধনে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি করেন রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হোছাইন শহীদ সাইফুল্লাহ, ৪ নং ইউপি সদস্য গোলাম রহমান, উপজেলা তাঁতীদলের যুগ্ম আহব্বায়ক সাহাদত হোসেন আরিয়ান, স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।
এই সময় বক্তারা বলেন, সড়কটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। সাধারণ জনগণের ভোগান্তি দূর করতে টেকসই মেরামত জরুরি। তারা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এলজিইডিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি সড়কটি সংস্কারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি করেন।
পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ দাস বলেন, সড়কটি এলজিইডি’র তালিকাভূক্ত। এটি সংস্কারের জন্য আগামীতে বরাদ্দ আসলে বিবেচনায় রাখা হবে।
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মইনুল হোসেন চৌধুরী বলেন, সড়কটি সংস্কারে স্থানীয় লোকজনের চাহিদা রয়েছে। এলজিইডি’র তালিকাভুক্ত হওয়ার কারণে আমার করার কিছুই নেই। এলজিইডির সাথে কথা বলে আপাতত মাটি দিয়ে সংস্কার করা যায় কিনা দেখবো।











