চট্টগ্রাম বন্দরের বর্ধিত মাশুল নিয়ে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। এতে বর্ধিত হারে মাশুল আদায়ে আর কোনো বাধা রইল না বলে মনে করছেন বন্দরের কর্মকর্তারা। সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরের বর্ধিত মাশুলের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে দেয়।
এরপর রবিবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার দপ্তর থেকে বর্ধিত হারে মাশুল আদায়ের জন্য সার্কুলার জারি করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “বর্ধিত হারে মাশুল আদায়ে আর কোনো বাধা নেই।”
বাংলাদেশ মেরিটাইম ল সোসাইটির পক্ষ থেকে গত ৯ নভেম্বর করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জিনাত হক এবং বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বর্ধিত মাশুল এক মাসের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে করা লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব স্থগিতাদেশ তুলে দেন। খবর বিডিনিউজ’র
রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী মহিউদ্দিন আবদুল কাদের বলেন, চেম্বার জজ স্থগিতাদেশ তুলে দিয়েছেন। চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়ীদের আপত্তির মধ্যেও ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে বন্দরের বিভিন্ন সেবা খাতে ৪১ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করে তা পরদিন থেকে কার্যকর করা হয়।
নতুন হারে মাশুল নির্ধারণের প্রস্তাবের পর থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। ব্যবসায়ীদের দাবি, এমন উচ্চহারে মাশুল আরোপ করা হলে ভোক্তা পর্যায়ে এর চাপ পড়বে। তারা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন।তবে বন্দরের ভাষ্য, ১৯৮৬ সালের পর এবার মাশুল বাড়ানো হচ্ছে। এই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানকে হিসাবে নিলে মাশুল খুব বেশি বাড়ছে না।
গত ২০ সেপ্টেম্বর নৌপরিবহন উপদেষ্টা চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে এসে বর্ধিত মাশুল একমাস পরে থেকে পেছানোর ঘোষণা দেন।











