সীতাকুন্ডে বাস ও কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ১

51

সীতাকুন্ডে যাত্রীবাহী বাসের সাথে কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে বাসের যাত্রী নূর বানু (৫০) ঘটনাস্থলে নিহত হন। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন বাসে থাকা আরো তিন যাত্রী। ঘটনার সাথে সাথে সীতাকুন্ড ফায়ার সার্ভিস আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের ছোট দারোগারহাট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নূর বানু বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের ছোট দারোগারহাট এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী।
সীতাকুন্ড ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ছোট দারোগার থেকে সীতাকুন্ডে আসার পথে ৮নং যাত্রীবাহী বাসকে একইমুখী একটি কাভার্ডভ্যান ছোট দারোগারহাট নূনাছড়া অতিক্রমকালে পিছন থেকে যাত্রীবাহী বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসের পিছনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে নুর বানু নামে এক মহিলা মৃত্যুবরণ করেন এবং আহত হয় বাসে থাকা আরো তিন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস প্রথমে সীতাকুন্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের চমেকে প্রেরণ করেন।
সীতাকুন্ড ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ওয়াশি আজাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত মহিলার লাশটি উদ্ধার করি এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করি।’
অপরদিকে বাসের ধাক্কায় ফারজানা আমিন প্রিয়া (২২) নামে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ভাটিয়ারী বাস স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত ছাত্রী হাটহাজারি উত্তর মাদার্শার সান্নাউল্ল্যাহ উকিল বাড়ির প্রবাসি খাইরুল আমিনের কন্যা এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ‘ল’ বিভাগের শেষ সেমিস্টারের ছাত্রী।
সীতাকুন্ডের বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি মো.আহসান হাবীব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,‘আমরা ঘাতক বাসটি আটক করেছি, আহত ছাত্রীকে স্থানীয়দের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।’