সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ জেলা পরিষদ ও কোটাবিরোধী ঐক্য জোটের বৈঠক

1

রাঙামাটি প্রতিনিধি

রাঙামাটিতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জটিলতা নিয়ে এক সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বুধবার বিকালে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, জেলা পরিষদ ও রাজনৈতিক দল বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতারাদের উপস্থিতিতে পরিষদের এনেক্স ভবনে এই বৈঠক হয়। তবে কোটাবিরোধী ঐক্য জোটের সাথে জেলা পরিষদের কোন রকম সমঝোতা ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে বৈঠকে আন্দোলনকারী, জেলা পরিষদ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ আলোচনা করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট দীপেন দেওয়ান, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী খোন্দকার রেজাউল করিম, বিএনপির জেলা সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু, বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য প্রদাং, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মঞ্জুরুল হক, প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ার আলম, জেলা পরিষদ সদস্য দেব প্রসাদ চাকমা, সদস্য হাবিব আজম, এনসিপি নেতা বিপিন চাকমা প্রমুখ।
বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের এমপি প্রার্থী ও সাবেক সিনিয়র জেলা যুগ্ম জজ দীপেন দেওয়ান বলেন, শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে বিএনপির কোন ধরনের ভূমিকা নাই। কিন্তু দুঃখজনক হলো এতে বিএনপিকে জড়ানো হয়েছে। এই নিয়োগের ব্যাপারে বিএনপি কোন ধরনের খবরদারি করবে না।
জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু বলেন, সবাই ছাড় দিয়ে হলেও নিয়োগের ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করবেন এটা প্রত্যাশা করি। তবে নিয়োগে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে পরীক্ষা নিতে আন্দোলনকারী ও পরিষদকে অনুরোধ জানান তিনি।
বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, কথা টানাটানি না করে কিভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যায় সেদিকে আমাদের অগ্রসর হতে হবে। বিগত দিনে যেসব নিয়োগ দেয়া হয়েছে সেদিকে আর যাব না। নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে পরীক্ষা শেষ করতে আন্দোলনকারীদের সহযোগিতা দরকার।
আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য প্রদাং বলেন, ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে ১৯৯৭ সালের চুক্তির মাধ্যমে জেলা পরিষদ আইন বিদ্যমান। জেলা পরিষদের নিজস্ব আইন দিয়েই নিয়োগ দেওয়ার কথা। আইন মোতাবেক নিয়োগ পরীক্ষা সম্পাদনের জন্য তিনি অনুরোধ করেন। সারা দেশের আইন আর পার্বত্য জেলার আইন এক নয়। জেলা পরিষদের আইন ফলো করে আগামী নিয়োগ পরীক্ষাগুলো বাস্তবায়ন করার দাবি জানান তিনি।