সাংস্কৃতিক কর্মীরা স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন

9

আমরা সবাই আজ একবিংশ শতাব্দীর মোড়ক উন্মোচন করেছি। আমাদের জন্ম আর জন্ম চলার বয়স দিয়ে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে অনেক আগে অনেক অতি-প্রাচীন বির্বতন ধ্বংসের অনুরণনের মধ্য দিয়ে। পৃথিবীর জন্ম থেকে আজ অবধি অনেক বিক্ষয়ের সাক্ষ্য হয়ে আছে নানা পর্বত-সমুদ্র, নদ-নদী, বন-জঙ্গল। তার এই বিকাশের ধারায় জেগে উঠেছে নানা সভ্যতা আর ধ্বংস হয়েছে অনেক সংস্কৃতির সৌপান। সভ্যতা টিকে থাকার পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে সংস্কৃতি। ব্যবসা-বাণিজ্য অর্থনৈতিক পরির্বতন আনে, কিন্তু সংস্কৃতি পরিবর্তন করে মানুষের বোধ আর মননের। স্থায়িত্ব আনে একটি আদর্শের। স্থায়ী ঠিকানা পায় একটা জাতি। জাতির সুকুমার কল্যাণে কাঠামো পায় সভ্যতা। পরিশীলিত আচার ব্যবহার, ব্যবহার বিধিই সংস্কৃতি। সভ্যতার চরমতম স্থায়ীত্বের ঠিকানা খুঁজে দেয় সংস্কৃতি। সংস্কৃতির বিকাশ না ঘটলে সমাজের পরির্বতন আসে না। সনাতনী ধারণা তার আদিরূপ ভেদ করে নিবিষ্ট রাখে সকল চিন্তা চেতনাকে।
কোন চেতনাহীন চিন্তা আলোর দেখা পায় না। নতুন আলোর নতুন ছায়া আর তার বিপরীতে অন্ধকারের ঘনত্ব কতটুকু পরিমাপ করার জোঁ থাকে না। তখন স্থির পড়ে থাকতে হয় তাদেরকে, যারা সংস্কৃতি থেকে দূরে থাকতে চায়। সংস্কৃতি এক ব্যাপক মাধ্যম। এর ডালপালা খুব বিস্তৃত। শাখা প্রশাখা অনেক রূপে শোভিত। কিন্তু একটি কথা বড় মানতে হয়, এর একমাত্র অনবদ্য মাধ্যম শিল্প। শিল্প ছাড়া সংস্কৃতি শব্দটি অর্থহীন। এর কার্যক্রম অপাংক্তেয়। আর তা সম্পূর্ণরূপে নির্বিকার, নিরর্থক, স্নান কর্মকান্ড ছাড়া আর কিছু নয়। যাঁরা শিল্পের চর্চা করে তাঁরাই সংস্কৃতির লালন করে। শিল্পের চর্চায় সংস্কৃতি পুষ্টি পায়। বেড়ে ওঠে প্রতিদিন। সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মুক্ত করি ধ্বনি পথ চলার ৩৬ বছরে মুক্তধ্বনি আবৃত্তি উৎসব ১৪৩১-এ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, চট্টগ্রামে ১৫ মে বুধবার বিকাল ৪টা আয়োজনের আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু, কবি, ঔপন্যাসিক ও গবেষক মজিদ মাহমুদ, নাট্যজন সাইফুল আলম বাবু, বাংলাদেশ যুব মহিলালীগ চট্টগ্রাম মহানগরের আহব্বায়ক অধ্যাপক সায়রা বানু রৌশনী, রোটারিয়ান চম্পাকলি বড়ুয়া, ব্যবসায়ী হাসান ফয়সাল রিয়াদ। বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, চট্টগ্রাম মহানগরের সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ লোকমানের সভাপতিত্বে ও মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের সভাপতির মোহাম্মদ মছরুর হোসেনের সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত আবৃত্তি শিল্পীর পরিবেশনায় ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা (ঢাকা), মাসকুর এ সাত্তার কল্লোল (ঢাকা), মাসুম আজিজুল বাসার (ঢাকা), প্রণব চৌধুরী (বোধন, চট্টগ্রাম), রেজাউল করিম রেজা (কুড়িগ্রাম), শ্রাবণী সুলতানা (বগুড়া), মুজাহিদুল ইসলাম (তারুণ্যের উচ্ছ¡াস), পলি পারভীন (ঢাকা), ইমরান সাগর (মাদারীপুর), মেহেদী হাসান (টুঙ্গীপাড়া), মিসবাহিল মোকার রাবিন (ঢাকা), অনন্যা রেজওয়ানা (ঢাকা), সেলিম ভ‚ঁইয়া (স্বদেশ, চট্টগ্রাম), স্নিগ্ধা বড়ুয়া (স্বপ্নযাত্রী, চট্টগ্রাম), হোসাইন ইলিয়াছ (প্রমিতি), মো. জাহেদ হোসেন রনি (মুক্তধ্বনি, চট্টগ্রাম), মুহাম্মদ আজাহার উদ্দিন (মুক্তধ্বনি, চট্টগ্রাম), সঞ্চিতা তালুকদার (মুক্তধ্বনি) ফয়সাল রেজা (মুক্তধ্বনি, চট্টগ্রাম), আশিক আরেফিন (মুক্তধ্বনি, চট্টগ্রাম) মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহেদ হোসেন রনির স্বাগত বক্তব্যে আবৃত্তি করেন মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদ নির্দেশনায়: মো. মছরুর হোসেনের পরিবেশনায় অন্তর মম বিকশিত করো, উচ্চারক শিশু কুঞ্জ ফারুক তাহেরের নির্দেশনায় ছবির মতো দেশ।
একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন, টিটো মুন্সী (ঢাকা) দেওয়ান সাঈদুল হাসান (ঢাকা) তাপস মজুমদার (রাজশাহী) ফারুক তাহের (উচ্চারক) লিটন কাদরী (জামালপুর) অতনু করঞ্জাই (ভোলা) আফতাব আহমেদ মাহবুব (ময়মনসিংহ) সারওয়ার নাঈম (কুমিল্লা) মেহেদী হাসান আকাশ (ঢাকা) মাহতাব সেহেল (কুমিল্লা) কান্তা আরিফিন (ঢাকা) বর্ষা চৌধুরী (প্রহর) অনন্যা দাশ (প্রহর) ডলি দাশ (ঢাকা) এস.এম সোলেমান সবুজ (মুক্তধ্বনি) হামিদা খাতুন পান্না (মুক্তধ্বনি) নাবিলা আক্তার ইসপা (মুক্তধ্বনি) বিবি ফাতেমা (মুক্তধ্বনি)।
সহযোগিতায়: নাহার এগ্রো, স্ট্যান্ড ল্যান্ড ইন কোয়ালিটি এন্ড ইন্টেগ্রিটি ইনাইয়া। প্রধান অতিথি আজম নাছির উদ্দিন বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মীরাই মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভ‚মিকা রেখেছেন। সাংস্কৃতিক চর্চার সাথে জড়িত থাকলেই শুদ্ধ মানুষ হওয়া সম্ভব।
দেশে যত বেশি সংস্কৃতির চর্চা হবে, সমাজ ততই সুন্দরভাবে এগিয়ে যাবে। আমি আপনাদের কাজে যতপ্রকার সহযোগীতা প্রয়োজন তা করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো। বিজ্ঞপ্তি