চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্য সচিব ও আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির আহব্বায়ক ও ইজতিহাদ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত এক বিবৃতিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য-সদস্যা এবং প্রয়োজনে সাংবাদিকতা পেশায় সম্পৃক্তদের যথানিয়মে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এসে সেবা গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে কতিপয় সাংবাদিক ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্মকর্তা-সদস্যের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি, ফ্যাসিবাদী সরকারের নগ্ন দালালি এবং ২০২৪ এর জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সময় গণহত্যায় উস্কানিদানের অভিযোগে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা-সাংবাদিকদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ২০০৮ সাল থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী সাংবাদিক-সম্পাদকদের বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে প্রেস ক্লাব ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পায়। গত বছর নভেম্বর মাস থেকে সরকারি প্রশাসনের তত্ত¡াবধানে প্রেস ক্লাব খুলে দেওয়া হয়েছে। এরপর সদস্য, পেশাদার সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ প্রেস ক্লাব থেকে প্রাপ্য সেবা গ্রহণ করে আসছেন। চিকিৎসা সেবাও অতিদ্রুত সময়ে দ্রুত চালু করা হবে।
দেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭ অনুযায়ী সভা-সমাবেশে যোগদানের এবং অনুচ্ছেদ ৩৮ অনুযায়ী সংগঠন করার অধিকার যুক্তিসংগত বিধি নিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। এই বিধি-নিষেধ হল: জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তি সংগত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে নিরস্ত্র অবস্থায় শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব শান্তিপ্রিয় শান্ত সাংবাদিকদের দ্বিতীয় আবাসস্থল। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের শান্তিপ্রিয় সকল সদস্যকে ক্লাবের প্রতিটি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও পরামর্শ দিয়ে মহান সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান তারা। বিজ্ঞপ্তি











