সিন্ডিকেট ভেঙে সরকারি ক্রয়-প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সংশোধিত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। নতুন করে সংশোধনীর ফলে শতভাগ দরপত্র হবে অনলাইনে। এছাড়া প্রাক্কলিত মূল্যের ১০ শতাংশ কম হলে দরপত্র প্রস্তাব বাতিলের যে বিধান ছিল, সেটাও আর থাকছে না।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হয়। সেখানে অনুমোদন পায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ।
বৈঠকের পর বিকালে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, এটি নিয়ে অনেক ধরনের কনসার্ন ছিল। দেখা যাচ্ছিল, সিন্ডিকেট করে অনেক কোম্পানি, কয়েকটা জায়গা বা মন্ত্রণালয়ে দেখা যাচ্ছে, একই ধরনের দুই-তিনটা কোম্পানি সরকারের কাজগুলো পাচ্ছিলেন। খবর বিডিনিউজের।
এসব জায়গায় যেন আরও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা যায়, সেজন্য যেসব কাজ করা প্রয়োজন ছিল, যে ব্যবস্থাপনা দরকার ছিল, সেগুলো করা হয়েছে। আজ উপদেষ্টা পরিষদে এটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং অনুমোদন পায়।
প্রেস সচিব বলেন, প্রাক্কলিত মূল্যের ১০ পার্সেন্টের কম হলে টেন্ডার প্রস্তাব বাতিলের যে বিধান, তা বাতিল করা হয়েছে। কাজ মূল্যায়নের যে ‘ম্যাট্রিক্স’, যেটার কারণে একই প্রতিষ্ঠান বার বার কাজ পেত, তাতে পরিবর্তন আনা হবে। এতে করে সিন্ডিকেট ভাঙবে।
পাবলিক প্রকিউরমেন্টে কারা কাজ পাচ্ছে এবয় তাদের ‘স্ট্যাটাসটা’ কেমন, তা জানাতে সব মন্ত্রণালয়কে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন মন্তব্য করে প্রেস সচিব বলেন, এটা একটা কম্পাইল হবে, এখানে কোনো সিন্ডিকেট আছে কিনা, তা দেখে নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারের কাজের মোট দরপত্রের ৬৫ শতাংশ অনলাইনে বা ই টেন্ডারের মাধ্যমে হয়। সেটা এখন ১০০ ভাগে উন্নীত করা হবে। এটা আজ (বৃস্পতিবার) সিদ্ধান্ত হয়েছে।