ষাট বছরে প্রিয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠুক প্রাসঙ্গিক ও বিশ্বমানের

2

আলমগীর মোহাম্মদ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা বা ইউনিভার্সিটি এডুকেশান নিয়ে সবচেয়ে বস্তুনিষ্ঠ ও দার্শনিক আলাপের সন্ধান মেলে কার্ডিনাল নিউম্যান রচিত দ্য আইডিয়া অভ ইউনিভার্সিটি গ্রন্থে। নিউম্যান বলেছেন, ‘University education doesn’t need to separate heads from hearts’। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করা আমাদের প্রচলিত ধারণায় নিজেকে প্রস্তুত ও পরিণত ক’রে গড়ে তোলার নামান্তর। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা কী, এমন প্রশ্নের জবাবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের একটি উক্তি এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা সমীচীন। তিনি বলেন, ’ no human institution is so permanent as a university. Dynasties may come and go, political parties may arise and fall, the influences of men may change,…Councils will come and go; Ministers will blossom and perish, parties will develop and disappear or change their nature and survive. But university will live on forever” । অর্থাৎ, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অমরত্বের কথা বলেছেন। রাজা যাইয়, রাজা আসে, মানুষের প্রভাব বাড়ে বা কমে, সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন ঘটে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় আপন মহিমায় অটল-অনড় থাকে।
স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় বর্ণিত সেই ‘অমর প্রতিষ্ঠান’-এর মর্যাদা নিয়েই ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের আকাক্সক্ষার ফসল হিসেবে যাত্রা শুরু করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। পাহাড়, অরণ্য আর বঙ্গোপসাগরের নৈকট্যে প্রকৃতির এক অপার লীলাভূমি, ২ হাজার ৩০০ একরের এই বিশাল ক্যাম্পাস কেবল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎই নয়, এর প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যও এটিকে দিয়েছে এক স্বতন্ত্র পরিচয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই বিদ্যাপীঠ কেবল একটি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি পরিণত হয়েছিল অধিকার আদায়ের সংগ্রাম, ভাষা আন্দোলন ও বিশেষ করে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সূতিকাগারে।
ষাটের দশকের উত্তাল সময়ে যখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ স্বাধিকারের স্বপ্নে বিভোর, ঠিক তখন চট্টগ্রামের রাজনীতি-সচেতন শিক্ষার্থীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে মুক্তচিন্তার চর্চা এবং প্রতিবাদী চেতনার স্ফুরণ ঘটিয়েছেন। এখানকার অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিকে কেবল একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্বের ওপর নয়, বরং জাতীয় ইতিহাস ও আত্মত্যাগের মহিমার ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছে। এর সবুজ প্রকৃতির মাঝে সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা ‘জয় বাংলা ভাস্কর্য’ সেই ঐতিহাসিক যোগসূত্রেরই মূর্ত প্রতীক। প্রথম উপাচার্য ড. আজিজুর রহমান মল্লিকের হাত ধরে যাত্রা শুরু করে হাঁটি হাঁটি পা পা করে আজ চবি প্রায় ষাট বছরের এক অভিজ্ঞতায় এসে পৌঁছেছে। এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের জ্ঞান, বিজ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যে হাজারো মেধাবী মুখ উপহার দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ভৌগোলিক অবস্থান এবং অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থা। শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে প্রকৃতির কোলে গড়ে ওঠা এই ক্যাম্পাসকে কেন্দ্র করেই জন্ম নিয়েছে বিশ্বের এক বিরল ঐতিহ্য-শাটল ট্রেন। শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন যাতায়াতের সুবিধার্থে ১৯৮০ সালে চালু হওয়া এই শাটল ট্রেন শুধু একটি পরিবহন ব্যবস্থা নয়; এটি চবির প্রাণ, সংস্কৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক। প্রতিদিন প্রায় দশ থেকে বারো হাজার শিক্ষার্থীর বহনকারী এই ট্রেনটি বহু গল্প, গান, আড্ডা ও স্মৃতি বহন করে চলেছে। উল্লেখ্য, একসময় যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজস্ব ট্রেন থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ই এখন পৃথিবীর একমাত্র শাটল ট্রেনের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিত। এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন, ঝুলন্ত ব্রিজ, ফরেস্ট্রি, চালন্দা গিরিপথ, স্লুইসগেট এবং একাধিক ঝরনা এটিকে কেবল একটি শিক্ষাকেন্দ্রের পরিবর্তে একটি নির্মল বিনোদন কেন্দ্র হিসেবেও জনপ্রিয় করে তুলেছে। এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শিক্ষার্থীদের মনন গঠনে, প্রকৃতির সাথে একাত্ম হতে এবং সৃষ্টিশীলতার বিকাশে এক গভীর ভূমিকা রাখে, যা কংক্রিটের শহুরে ক্যাম্পাসগুলোতে প্রায়শই অনুপস্থিত। প্রতিষ্ঠার প্রায় ষাট বছর পূর্তিতে এসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে তার অতীতের সাফল্যের ওপর দাঁড়িয়েই ভবিষ্যতের পথরেখা তৈরি করতে হবে। এই সময়ে চবি’র অর্জন কম নয়। দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্র প্রকাশ, এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা এই সবই তার সাফল্যের স্বাক্ষর।
কিন্তু বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাসঙ্গিকতা নির্ভর করে কেবল তার ইতিহাসের ওপর নয়, বরং তার বর্তমান কর্মদক্ষতা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার ওপর। এখানে এসে চবির সামনে আসে কিছু গুরুতর চ্যালেঞ্জ। বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে হলে কেবল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা ঐতিহ্য যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন বিশ্বের মানের একাডেমিক পরিবেশ এবং গবেষণা সক্ষমতা। প্রথমত, গবেষণার মান: গবেষণার পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেও আন্তর্জাতিক মানদন্ডে বিচার করলে অনেক ক্ষেত্রেই চবি’র গবেষণা এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। মৌলিক গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণার মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ, অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশনার হার বাড়ানো জরুরি। দ্বিতীয়ত, বৈশ্বিক র‌্যাংকিং ও খ্যাতি: চবি’র মতো একটি ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের উচিত বিশ্বসেরা ৫০০ বা ১০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নিয়মিতভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করা। এর জন্য প্রয়োজন আন্তর্জাতিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর আদান-প্রদান বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মানের পাঠ্যক্রম তৈরি এবং বিদেশি গবেষকদের সাথে নিবিড় সহযোগিতা স্থাপন। তৃতীয়ত, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত দুর্বলতা: বৃহৎ ক্যাম্পাস হওয়া সত্তে¡ও, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে বৈষম্য, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করা অপরিহার্য। সময়োপযোগী আধুনিকায়ন ছাড়া শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকছে। ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রকৃত অর্থেই ‘বিশ্বমানের’ করে তুলতে হলে কিছু গভীর সমস্যার মূলোৎপাটন করতে হবে: শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও চাকুরিপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিদ্যমান দূরত্ব (Industry-Academia Gap): চবি থেকে ডিগ্রি নিয়ে বের হওয়া শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যেন কেবল তাত্তি¡ক না হয়ে প্রায়োগিক হয়, সেদিকে জোর দিতে হবে। শিল্প, বাণিজ্য ও প্রযুক্তির সাথে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপন করে এমনভাবে পাঠ্যক্রম সাজাতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত পরিবর্তনশীল শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুত হয়। আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়ার ঘাটতি (Lack of Internationalization): বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করা, বিশ্বখ্যাত অধ্যাপক ও গবেষকদের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচিতে যুক্ত করা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কনফারেন্স ও কর্মশালার আয়োজন বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। মুক্তচিন্তা ও বিতর্কের পরিবেশ: বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল আদর্শ হলো মুক্তচিন্তা ও গঠনমূলক বিতর্কের পরিবেশ সৃষ্টি করা। অ্যাকাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য এমন একটি ক্যাম্পাস সংস্কৃতি তৈরি করা জরুরি, যেখানে ভিন্নমত এবং নতুন ধারণা সর্বদা স্বাগত জানানো হয়। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সুশাসন: যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানের সাফল্য নির্ভর করে তার প্রশাসনিক দক্ষতার ওপর। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
ষাট বছরের মাইলফলককে সামনে রেখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে অবশ্যই একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে: গবেষণা ও উদ্ভাবনী সংস্কৃতি জোরদারকরণ: গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে একটি ‘ইনোভেশন ফান্ড’ বা ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী কাজকে পেটেন্ট ও বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক করার সুযোগ তৈরি করতে হবে। পাঠ্যক্রম সংস্কার ও আন্তঃবিভাগীয় শিক্ষা (Curriculum Reform and Interdisciplinary Studies): একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও), ডেটা সায়েন্স, ক্লাইমেট চেঞ্জ স্টাডিজ এবং জৈবপ্রযুক্তি (Biotechnology)-এর মতো যুগোপযোগী বিষয়ে আন্তঃবিভাগীয় পাঠ্যক্রম চালু করতে হবে। এই সংস্কারে জোর দিতে হবে দক্ষতা-ভিত্তিক (Skill-based) এবং সমস্যা-ভিত্তিক (Problem-based) শিক্ষার ওপর। ডিজিটাল রূপান্তর (Digital Transformation): ক্লাসরুম, লাইব্রেরি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল করতে হবে। বিশ্বমানের ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ও অনলাইন রিসোর্সের মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগকে আরও বিস্তৃত করতে হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও মান উন্নয়ন: শিক্ষকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও গবেষণার জন্য আন্তর্জাতিক মানের ফেলোশিপের ব্যবস্থা করা এবং নিয়মিতভাবে জ্ঞান-ভিত্তিক সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করা জরুরি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একখন্ড জমি, কিছু ভবন বা হাজারো শিক্ষার্থীর সমাগম নয়। এটি একটি চলমান ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি, যা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের হাতে জ্ঞানের মশাল তুলে দেয়। স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের কথা স্মরণ করে বলা যায়, এই প্রতিষ্ঠান চিরঞ্জীব। তবে এই অমরত্বের অর্থ কেবল টিকে থাকা নয়, বরং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের প্রাসঙ্গিক ও অত্যাবশ্যক করে তোলা। কার্ডিনাল নিউম্যানের সেই দার্শনিক উক্তি, ‘University education doesn’t need to separate heads from hearts’-যা হৃদয়কে মস্তিষ্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করে না- তা-ই হতে পারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী দশকের মূলমন্ত্র। বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন মানুষ তৈরি করতে হবে, যারা শুধু মেধাবী নয়, মানবিকও বটে; যারা জ্ঞানকে ব্যবহার করে সমাজের কঠিনতম সমস্যাগুলো সমাধানে ব্রতী হবে। শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে এটি একদিকে যেমন আঞ্চলিক উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবে, তেমনই বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।
ষাট বছরে পদার্পণ করার এই সন্ধিক্ষণে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে তার ঐতিহাসিক অর্জন ও প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে একটি গতিশীল, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও সর্বোপরি দেশের জন্য প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ার অঙ্গীকার নিতে হবে। এই পথচলায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রয়াসই পারে প্রিয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে, যেখানে জ্ঞান ও মানবিকতা হাত ধরাধরি করে চলবে।

লেখক : বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও অনুবাদক
সাবেক শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়