শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় উৎসবমুখর চারদিক

57

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণসংযোগ প্রচার-প্রচারণার সময় শেষ হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী আগামীকাল শুক্রবারের পর কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না। এ কারণে শেষ মুহূর্তে গতকাল প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটান প্রার্থী, নেতাকর্মী ও স্বজনরা। সভা-সমাবেশ, পথসভা, গণসংযোগসহ সব ধরনের প্রচারণা চালিয়েছেন প্রার্থীরা। এতে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে চারদিক।
রাউজানে মহাজোট প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি গতকাল বুধবার একদিনেই ১০টি জনসভা করেছেন। পরে গণসংযোগ করেছেন গভীর রাত পর্যন্ত। সাংসদ এম এ লতিফ হাজার হাজার মানুষ নিয়ে গণসংযোগ করেছেন। অপরদিকে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ান ছাড়া বাকিদের তৎপরতা ছিল না।
জানা গেছে, মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। কখনো পায়ে হেঁটে আবার কখনো গাড়িতে, খোলা ট্রাকে করে ছুটছেন এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায়। মিলিত হচ্ছেন পথ সভায়। করছেন গণসংযোগ।
প্রার্থীরা চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী এলাকা। শুধু প্রার্থীরা নয়, দলীয় নেতাকর্মীরাও ছুটছেন ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে।
প্রার্থীদের পেছনে থাকছে নেতাকর্মীদের গাড়ির বহর। কিছুদূর গিয়েই গাড়ি থামিয়ে নেমে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন। নির্বাচনী ক্যাম্পগুলোতে মাইক লাগিয়ে ভোটের গান বাজানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ক্যাম্পে মাইকে বাজছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ।
গতকাল বুধবার রাউজানে মহাজোট প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১০টি জনসভায় বক্তব্য রেখেছেন। রাউজান ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। এসব সভায় তিনি বিগত ১০ বছরে রাউজানে ২৭ হাজার কোটি টাকার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানান।
চট্টগ্রাম-১১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী এম এ লতিফ এমপি ৩৮, ৩৯ ও ৪০ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন। এতে কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এদিকে আওয়ামী লীগ মাঠে সরব থাকলেও হামলার ভয়ে বিএনপি প্রার্থীদের অনেকেই প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন দলটির নেতারা।