পূর্বদেশ ডেস্ক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা আগামী ১৭ নভেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারবেন।
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের আলাদা দুই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার জেরা অব্যাহত রয়েছে। ১৭ নভেম্বর এসব মামলার জেরাও হবে। গতকাল সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ দিন ধার্য করেন। খবর বিডিনিউজের।
গতকাল শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের পক্ষে দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়াকে জেরা করেন আইনজীবী শাহীনুর রহমান।
জয় এবং পুতুলের মামলায় দুদকের উপপরিচালক সালাউদ্দিন এবং এস এম রাশেদুল হাসানকে জেরা করা অব্যাহত রয়েছে। দুদক প্রসিকিউটর খান মো. মাইনুল হাসান (লিপন) এসব তথ্য দিয়েছেন।
গত ৩১ জুলাই এই তিনটিসহ ছয় মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।
এসব মামলার শেখ পরিবারের অন্য আসামিরা হলেন- শেখ রেহানা, তার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও আরেক মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক।
প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ছয়টি মামলা করে দুদক। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকসহ আরও অনেককে আসামি করা হয়। সবগুলো মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তারা বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্তে¡ও অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তার ছয়টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এসব মামলায় ‘পলাতক’ থাকায় শেখ পরিবারের সদস্য ও তাদের স্বজনরা যুক্তিতর্কে উপস্থিত থাকতে পারেননি। বাদী পক্ষকে জেরাও করতে পারেননি তারা।
তাদের অনুপস্থিতিতে সাক্ষগ্রহণ শেষে এখন রায়ের পথে আরেক ধাপ এগোল মামলাটি।










