শেখ মুজিব ও তার পরিবারের কেউ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেননি

0

চন্দনাইশ প্রতিনিধি

এলডিপি’র চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, শেখ মুজিবসহ শেখ পরিবারের কেউ মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেননি। শেখ হাসিনার ছেলের জন্ম হয়েছিল পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর হাসপাতালে। তাদের শাসনামলে ২৮ লক্ষ হাজার কোটি টাকা ভারত, আমেরিকসহ বিভিন্ন দেশে পাচার হয়েছে। আওয়ামী লীগের সে সকল নেতারা ভারত, থাইল্যান্ড, মালেয়শিয়া, সিঙ্গাপুর, দুবাই, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। দেশের অবস্থা ভালো না। যারা দায়িত্বে রয়েছেন তাদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা কিছুই নেই। জীবনে আঘাত প্রতিঘাত ও সাহসের মাধ্যমে আমরা এ পর্যায়ে এসেছি। শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে আমি সেদিন বিদ্রোহ ঘোষণা করে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছি। অদক্ষ, অনভিজ্ঞ লোকেরা দেশ পরিচালনা করছে। যে যেদিকে পারছে সেদিকে ছুটছে।যারা এস.আলমের গাড়িতে রাতে টাকা প্রচার করতে গিয়ে ধরা পড়েছে, তাদেরকে মনোনয়ন দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। যারা ২/৩ টাকায় পুরাতন কাপড় বিক্রি করেছে, তারা দুর্নীতি করে কোটিপতি হয়েছে।
গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলা এলডিপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন চন্দনাইশ সদরস্থ কাসেম মাহবুব উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সংগঠনের সভাপতি মোতাহের হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এলডিপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক ওমর ফারুক। প্রধান বক্তা ছিলেন দক্ষিণ জেলা এলডিপির সভাপতি ইয়াকুব আলী। বিশেষ বক্তা ছিলেন যথাক্রমে সাবেক জেলা সভাপতি এডভোকেট কফিল উদ্দীন চৌধুরী, জেলা সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া শিমুল, এডভোকেট মো. শাহজাহান, জননিরাপত্তা আদালতের পিপি এডভোকেট শাহাদাত হোসেন, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মনছুর আহমদ, এডভোকেট নাছির উদ্দীন চৌধুরী ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশা। সম্পাদকীয় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আকতার আলম। আলোচনায় অংশ নেন পৌর এলডিপির সভাপতি আইনুল কবির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আকতার উদ্দীন, সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দীন ও জসিম উদ্দীন হায়দার, লিয়াকত আলী, সায়েদ ইবনে খায়ের, মো. সায়েদ, মো. রাশেদ, মো. ইয়াকুব, যুবদলের সভপতি মখলেছুর রহমান প্রমুখ।
দল প্রতিষ্ঠার পর সম্মেলনের মাধ্যমে ২য় অধিবেশনে কর্নেল অলির উপস্থিতিতে মোতাহের হোসেন মিয়াকে সভাপতি, আকতার আলমকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক করে ৮ জন সহ-সভাপতি, সিরাজুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক, আবদুর রহিম বাদশাকে প্রথম যুগ্ম সম্পাদক করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।