মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধে এগিয়ে আসেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা

1

হাটহাজারী প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস ও পুনর্মিলনী-২০২৫ পালিত হয়েছে।
এতে বক্তারা বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধে এগিয়ে আসেন এবং দীর্ঘ লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অকূতোভয় সদস্যরা ২১ নভেম্বর সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণের সূচনা করেন।
২১ নভেম্বর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা হাটহাজারী শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটি উপদেষ্টা সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অব.) আনোয়ার পাশা চৌধুরী। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন র‌্যাব-৭ সিপিসি-২, হাটহাজারী ক্যাম্পের অধিনায়ক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সাইফুর রহমান।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটি উপদেষ্টা সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অব.) চৌধুরী মনিরুজ্জামান। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন। এছাড়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি সার্জেন্ট (অব.) মো. নুরুন নবী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কিউসি লজিস্টিকস লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ হারুন আর রশীদ, ফটিকছড়ি আব্দুল্লাহপুর উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি এস.কে.এম সেলিম, লেখক পারশেদ বিন আনোয়ার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক মুরাদ চৌধুরী ও হাটহাজারী মডেল থানায় সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক নাজমুল হাসান।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট (অব.) ছোটন বড়ুয়া ও অর্থ সম্পাদক সৈনিক (অব.) মোহাম্মদ ইয়াছিনের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক দিনকালের চট্টগ্রামের ব্যুরো প্রধান সাংবাদিক হাসান মুকুল, হাটহাজারী সরকারি কলেজে প্রভাষক মো. আবু তালেব, সার্জেন্ট (অব.) আবুল কালাম, সার্জেন্ট (অব.) কাজী ইমাম হোসেন, সার্জেন্ট (অব.) আবুল হাসেম চৌধুরী এবং জসিম মাহাবুব প্রমুখ।
এর আগে সশস্ত্র বাহিনী দিবস ও পুনর্মিলনী উপলক্ষ্যে সকালে শহীদ বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও মিলাদ মাহফিল সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। এরপর আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত সকলে প্রীতিভোজ অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।