মিনানের ম্যাজিক জুতো

13

রুমানা নাওয়ার

সাদা আর কালোর মিশেলে একজোড়া জুতো উপহার পেয়েছে মিনান।তার নানাভাই এর কাছ থেকে।সামনে ঈদ। তাই এ উপহার। জুতো জোড়া হাতে পেয়ে মিনান বেজায় খুশি। রাতে কয়বার যে জুতো গুলো দেখেছে বসার ঘরে এসে। তার হিসেব নেই। জুতোর দিকে তাকিয়ে থাকতে ও তার খুব ভালো লাগলো।তাকিয়ে থাকলো আর তাকিয়ে থাকলো।খাওয়াদাওয়া পড়াশোনা সব ভুলে গেলো।মায়ের ডাকে যাও একটু পড়াতে মন দিলো।না সেখানেও জুতোজোড়া। নানা আরও উপহার এনেছে জামা প্যান্ট ঘড়ি,চকোলেট, আইসক্রিম ।মিনানের প্রিয় কাচ্চি বিরিয়ানি।সব বাদ দিয়ে এ একটা উপহার তার মন কেড়েছে বেশী।
বাবা, মা, মিদ যখন ঘুমিয়ে। মিনান পা টিপেটিপে আবার আসলো বসার ঘরে।জুতো দুটো যে জায়গায় রাখা ছিল সেখান থেকে অন্যজায়গায়।
কিভাবে আসলো? চোখদুটো ছানাবড়া তার।ওমা কি কান্ড আবার দেখি মিনান যেখানে দাঁড়িয়ে সেখানে এসে গেলো। ভয়তো একটু ও পেলোনা সে।বরং কৌতুহল বেড়ে গেলো আরও।সোফায় বসে মিনান বললো- এই জুতো এদিকে আসো। অবাক করা কান্ড। সাথে— সাথে পায়ের কাছে এসে হাজির।এবার দেখি- ডানপা আর বামপা দেখে ঢুকে পড়ো। বলা মাত্রই কাজ শেষ।চটজলদি পায়ে ঢুকে গেলো। মিনান এবার কি করবে।মনেমনে ভাবতে লাগলো।রাত তো অনেক।
কি আশ্চর্য জুতোজোড়া মিনানকে হাওয়ায় উড়িয়ে নিতে লাগলো। মেঘের ভিতর চাঁদের দেশ তারাদের ঝিকমিক পেরিয়ে উড়ছে তো উড়ছে। মিনান হাত বাড়িয়ে মেঘ গুলো ছুঁয়ে দেখলো।তারার সাথে হাসলো খিলখিল হাসি।কত শত তারা মিনানকে ঘিরে। চারপাশ শুধুই তারার মেলা।ছোট বড় হরেক রকমের তারা।কোনটা জ্বলছে কোনটা বা নিভছে। মিনানের দিশেহারা মন।
মিনান উড়ছে, ভাসছে। খুশীর সীমা নাই।তারারা ও মিনান কে পেয়ে খুশী। তারা দলবেঁধে তাকে স্বাগতম জানালো।টুইংকেল টুইংকেল লিটন স্টার।হাউ আই ওয়ান্ডার হোয়াট ইউ আর। আপ এভাব দা ওয়ার্ল্ড সো হাই।লাইক এ ডায়মন্ড ইন দা স্কাই।মিনানের সাথে সাথে সমস্ত তারারা গাইতে লাগলো তার প্রিয় রাইমস।মিনান হাত দিয়ে সব তারাদের ছুঁয়ে দিলো। হাত মেলালো।তারারা সবাই অল্পতেই