মহেশখালী প্রতিনিধি
মহেশখালীতে ২৪ মাঝিমাল্লাসহ একটি ফিশিং বোট (মাছ ধরার ট্রলার) এর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এফ বি নুরে মদিনা নামক ফিশিং বোটটি উপজেলার হোঁয়ানক ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মোহরাকাটা এলাকার নুরুল হাশেমের বলে জানা গেছে। ২৪ জন মাঝি-মাল্লাহসহ সাগরে মাছ শিকার করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় বোটটি।
ব্যাপক খোঁজখবর নিয়েও বোটের সন্ধান না পাওয়ায় ফিশিং বোটের মালিক নুরুল হাশেম গতকাল মঙ্গলবার মহেশখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জিডি সূত্রে জানা গেছেম, এফ বি নূরে মদিনা নামক ইঞ্জিনযুক্ত ফিশিং বোটটি ব্যবহার করে সাগরে মাছ আহরণের ব্যবসা করে আসছিলেন নুরুল হাশেম। গত ১৫ নভেম্বর ভোর ৪ টার দিকে মহেশখালীর হোঁয়ানক মোহরাকাটা ঘাট থেকে স্থানীয় মৃত সুলতান আহামদের ছেলে ফিশিং এই টলারের মাঝি জাকির হোসেনের (৫৫) নেতৃত্বে আরও ২৩ জন জেলেকে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করতে যান। মাছ শিকার করার সময়েও তাদের সাথে যোগাযোগ ছিল। কিন্তুগত সোমবার বিকাল ৪ টার পর থেকে নুরুল হাশেম ট্রলারের মাঝি- মাল্লাদের সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে লোকজনসহ আরেকটি ট্রলার নিয়ে বিভিন্ন ফিশিং বোটের সহায়তায় বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু তাদের কোনো হদিস না পেয়ে মহেশখালী থানায় বিষয়টি অবহিতকরণপূর্বক একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
ট্রলারটির ২৪ মাঝি-মাল্লার খোঁজ না পেয়ে তাদের পরিবার-পরিজন উদ্বিগ্ন সময় পার করছেন। প্রশাসনসহ অন্যান্য জেলো ট্রলারটি ও মাঝি-মাল্লাদের খুঁজে পেতে চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ট্রলারের মালিক নুরুল হাশেম জানান, আমার ফিশিং বোট মাঝি-মাল্লাসহ নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। অনেকগুলো মানুষ, তাদের উপর নির্ভরশীল কতগুলো পরিবার- সবাই দুশ্চিন্তায় আছেন। পরিবারগুলোকে আশ্বস্ত করছি যেন সবাই ফিরে আসে। আমরা নিখোঁজ মাঝি-মাল্লাদের ফিরে পেতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক এবং মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের সহায়তা চেয়েছি।










