নিজস্ব প্রতিবেদক
ভুয়া জামানতদাতার মাধ্যমে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ডাচবাংলা ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা এবং একটি এনজিও প্রধানসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল রোববার দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হামেদ রেজা মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, এনজিও ‘নওজয়ান’এর প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন চৌধুরী ২০১৫ সালে ডাচ বাংলা ব্যাংকের মুরাদপুর শাখা থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণের জন্য আবেদন করেন। এ সময় তিনি তার এনজিও সদস্য ফরিদুল হাসানের নামে একটি জমি বন্ধক দেখান। কিন্তু জমির মালিকানা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে দায়িত্বে থাকা শাখা ব্যবস্থাপক কে এম ইজাজ ও ঋণ কর্মকর্তা কৌশিক রায় চৌধুরী যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই মৌখিকভাবে ভুয়া জামানতদাতাকে শনাক্ত করেন এবং জাল দলিল গ্রহণ করে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ঋণ অনুমোদন করেন।
তদন্তে দেখা যায়, প্রকৃত মালিকের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে এক ভুয়া ব্যক্তি বন্ধকদাতা সেজেছিলেন। পুরো প্রক্রিয়ায় ওই ভুয়া ব্যক্তিকে ব্যাংকে হাজির করেছিলেন ইমাম হোসেন চৌধুরী নিজেই। পরে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কার্যালয়ের যাচাইয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় জমি বন্ধকদাতা হিসেবে উপস্থিত ব্যক্তি ছিলেন প্রতারক।
দুদকের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ৫(২) ধারাসহ দÐবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালে নতুন কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতারণা, জালিয়াতি ও যোগসাজশের মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন করা হয় এবং টাকা আত্মসাৎ করা হয়।










