নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিপ হ্যান্ডলিং এন্ড বার্থ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসবিওএ) কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশাসক নিয়োগ করা আবশ্যক উল্লেখ করে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার বন্দরের সচিব ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আমদানিকৃত পণ্য খালাসের জন্য ৩৩টি শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তালিকাভুক্ত হয়ে নিয়োজিত রয়েছে। যারা বহির্নোঙ্গরে মাদার ভেসেল হতে লাইটার জাহাজে পণ্য উঠানামার কাজে নিয়োজিত থাকেন। এসব প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ শিপ হ্যান্ডলিং এন্ড বার্থ অপারেটরস্ এসোসিয়েশনের অন্তর্ভূক্ত।
এতে আরও বলা হয়, বিএসবিওএ’র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এসোসিয়েশনের মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপের কোন্দল ও বিভেদ দেখা দিয়েছে। যার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ হতে পণ্য উঠানামায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়ে পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে কালক্ষেপণ হচ্ছে। এতে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। যা বহির্বিশ্বে চট্টগ্রাম বন্দরের ভাবমূর্তির উপর নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করছে। তাই আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এবং আমদানিকৃত পণ্যের বিপরীতে সরকারের রাজস্ব আদায় অক্ষুণœ রাখতে জাতীয় স্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশ শিপ হ্যান্ডলিং এন্ড বার্থ অপারেটর এসোসিয়েশনের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশাসক নিয়োগ করা আবশ্যক বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
তবে বিএসবিওএ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সরওয়ার হোসেন সাগর পূর্বদেশকে বলেন, ‘বন্দর কর্তৃপক্ষ যে অভিযোগ করেছে তা ঢাহা মিথ্যা এবং বানোয়াট। আজ পর্যন্ত কোনো আমদানিকারক এবং শিপিং এজেন্ট এ ধরনের কোনো অভিযোগ করেনি, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার দেখা যায়নি। তারপরও কিসের ভিত্তিতে এ ধরনের অভিযোগ তারা করেছে তা আমরা বুঝতে পারছি না। আমাদের কোনো শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর দ্বারা কোনো জাহাজের কাজ বন্ধ হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। আসলেই যদি এই ধরনের কোনো অভিযোগ পেয়ে থাকতো তাহলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আগে আমাদের এসোসিয়েশনেকে জানাতে পারত। আর নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও কোনো ধরনের ঝামেলা নেই। আমরা তাদের এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’










