ন্যায় বিচার পাওয়া প্রতিবন্ধীদের সাংবিধানিক অধিকার

67

প্রতিবন্ধীতা ইস্যুতে কর্মরত সংগঠন ডিডিআরসি’র উদ্যোগে ইউএসএআইডি/বাংলাদেশ, ব্লু ল’ ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাষ্ট (ব্লুাস্ট), প্রতিবন্ধী নারীদের জাতীয় পরিষদ (এনসিডিডব্লুিউ) এবং জাতীয় তৃণমূল প্রতিবন্ধী সংস্থা (এনজিডিও) এর সহযোগিতায় ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩ বাস্তবায়নে বিচার বিভাগের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারের প্রধান অতিথি ভারপ্রাপ্ত জেলা জজ মুন্সি আবদুল মজিদ বলেন, ন্যায় বিচার পাওয়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সাংবিধানিক অধিকার। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মামলাগুলো বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নেয়া, আইনগত জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা বা আইনজীবীদের সঠিক সেবা না পাওয়ার ফলে কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কি-না, কার্যধারা পরিচালনার সময় সে বিষয়ে সদয় দৃষ্টি রাখা ও স্ব-প্রণোদিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। তিনি বলেন, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা মানসিক অসুস্থতাজনিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পক্ষে বা বিপক্ষে ফৌজদারি কার্যধারা পরিচালনার সময় ফৌজদারি কার্যবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা অনুসরণ করা এবং আইনজীবীরা এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ না করলেও বিচারকদের পক্ষ থেকে স্ব-উদ্যোগে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। পাশাপশি আইনী কার্যধারায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণের যথাযথ সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত। তিনি আরো বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আইনগত অধিকারসমূহ আদালতের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হলে তারা যথাযথ সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সমাজে বসবাস করার সুযোগ লাভ করবে। অধিকার লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হলে তারাও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার হরণের বিষয়ে সচেতন হবে এবং অধিকার লঙ্ঘন থেকে বিরত থাকবে।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিডিআরসি’র নির্বাহী পরিচালক শহীদুল ইসলাম সাজ্জাদ এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক এম নাসিরুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফেরদৌস আরা, মো. মোসলেহ উদ্দিন, গোলাম কবির এবং সিনিয়র সহকারী জজ ফারহানা ইয়াসমিন। বিজ্ঞপ্তি