তত্ত্বাবধায়ক সরকার আগামীতে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করবে

0

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে দেশে আগামী সংসদ নির্বাচনগুলো ‘সুসংহত এবং গ্রহণযোগ্য’ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের মানুষকে যে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, যে জীবনগুলো দিতে হয়েছে, যে নির্বাচনগুলোকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে, যার ফলে যে অপশাসন, নিপীড়ন ও নির্যাতনের রাজত্ব সৃষ্টি হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে আমরা আশা করি সেটা আগামী নির্বাচনগুলোকে সুসংহত করবে এবং গ্রহণযোগ্য করবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ‘কমল মেডিএইড’ আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আমীর খসরু। খবর বিডিনিউজের।
গতকাল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
এর মধ্য দিয়ে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারে অধীনেই হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারকের পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করে।
এই রায় নিয়ে আমির খসরু বলেন, এমন একটি সময়ে আমরা নির্বাচনের সম্মুখীন, এই নির্বাচনকে সামনে রেখে আশা করছি যে আগামীর দিনগুলোতে নির্বাচনগুলো অন্তত সুষ্ঠু হবে, গ্রহণযোগ্য হবে, যদিও এই নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কিত নয়।
নির্বাচিত সরকারের অনুপস্থিতিতে দেশ কতদূর যেতে পারে, বিগত দিনে দেখেছি, এখনো একটি অনির্বাচিত সরকার আছে, যদিও আমি বিগত স্বৈরাচারের সাথে তুলনা করছি না।
নির্বাচিত এবং অনির্বাচিত সরকারের পার্থক্য টেনে তিনি বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকারের পক্ষে যে কাজগুলো করা সম্ভব হয় কোনো অনির্বচিত সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। সুতরাং বাংলাদেশের মানুষ একটি নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় আছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব এটা কেয়ারটেকার সরকারের মাধ্যমে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, আমি অবাক হয়েছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ফার্মেসি নেই। এটাই বুঝা যায় আমার স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমার কতটা সচেতন। বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদকের সমস্যা আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কৃতীত্ব দিতে হবে যে এখানে মাদকের সমস্যা নাই।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, হলে থাকা অবস্থায় শিক্ষার্থীদের অসুস্থতা স্বাস্থ্যের উপর যে একটা প্রভাব ফেলে যা হলে থাকাকালীন বুঝা যায় না। পরবর্তীতে আমরা এর ফল ভোগ করি।