ঢাকা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবো : আসিফ

2

পূর্বদেশ ডেস্ক

ঢাকার কোনো একটি আসন থেকে ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী হিসেবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লড়তে চান স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। গতকাল রোববার বিকালে ধানমন্ডি থানা নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কোথা থেকে করবো, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ঢাকা থেকে করবো ইনশাআল্লাহ্। খবর বিডিনিউজের।
কোন রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচন করবেন, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এখন পর্যন্ত পরিকল্পনা, স্বতন্ত্র নির্বাচন করারই, তারপরও দেখা যাক কি হয়।
গতকাল বিকালে ধানমন্ডি থানা নির্বাচন কার্যালয়ে ভোটার হতে আসেন আসিফ। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া এ ছাত্র সংগঠক।
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে রোজার আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হতে পারে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের সংলাপ। অন্তর্বর্তী সরকারও ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের প্রচারাভিযান শুরু করেছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদনের শেষ দিন হচ্ছে আজ সোমবার। এর আগের দিন গতকাল রোববার সেই আবেদন সারতে ধানমন্ডি থানা নির্বাচন কার্যালয়ে আসেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ এখন পর্যন্ত কুমিল্লা-৩ আসনের (মুরাদনগর) ভোটার ছিলেন।
অভ্যুত্থানের সামনের সারির ছাত্রনেতাদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আত্মপ্রকাশ ঘটে গেল ফেব্রæয়ারিতে, তথ্য উপদেষ্টা পদ ছেড়ে সে দলটির নেতৃত্বে আসেন নাহিদ ইসলাম।
নির্বাচন সামনে রেখে এনসিপি আলাদা জোট গড়তে চায়, এমন খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে। জামায়াত আগের প্রার্থী মনোনীত করে মাঠে সক্রিয় হয়েছে। বিএনপিও ২৩৬টি আসনে তাদের প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, সে তালিকায় ঢাকার কয়েকটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা হয়নি তুলে ধরে উপদেষ্টা আসিফ বলেন, আমার কারও সঙ্গে কোনো আলোচনা হয় নাই। কেউ কোনো আসন ফাঁকা রাখলো কি, রাখলো না সেটা আমার দেখার বিষয় না। আমি আমার সিদ্ধান্ত এককভাবেই নেব।
ঢাকা ১০ আসন থেকে নির্বাচন করবেন কী না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কোন আসন থেকে নির্বাচন করবেন, তা চূড়ান্ত হয়নি।
আমার সরকার থেকে পদত্যাগ করার পর থাকার পরিকল্পনা আছে এই ধানমন্ডি এলাকায়। যেখানে থাকবো সেখানেই ভোটার হওয়া।
নির্বাচন করার জন্য আপনি কোথায় ভোটার হলেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ না; আপনি দেশের নাগরিক বা ভোটার হলেই যথেষ্ট। সে জায়গা থেকে ঢাকায় ভোটার হওয়া, যাতে আমার ভোটটা অপচয় না হয়।