ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণ ও একটি পর্যালোচনা

3

জসিম উদ্দিন মনছুরি

জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্ব›দ্ব প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দুই দল দুই মেরুতে অবস্থান নেওয়ায় রাজনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। এর মাঝে গত ১৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ প্রদান করেন। ভাষণে তিনি নির্বাচনের একটি রূপরেখা, গণভোট এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদানের সুনির্দিষ্ট কতিপয় বিষয় উল্লেখ করেন। জুলাই অভ্যুত্থানের স্টেকহোল্ডারদের দীর্ঘদিনের দাবি সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও নির্বাচন। দীর্ঘ নয় মাস সংস্কার কমিশন রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে পর্যালোচনা ও আলাপ-আলোচনার পর জুলাই সনদে ঐক্যমত্যে পৌঁছার পর গত ১৭ অক্টোবর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাজনৈতিক দলগুলোকে সাথে নিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেন। এরপর মূলত পিআর পদ্ধতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি’র মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নেয়। বিএনপি’র দাবি ছিলো গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে হওয়ার। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ টি সমমানা ইসলামী দল দাবি করে আসছিলো গণভোট নভেম্বরের মধ্যে হওয়ার। গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদানের। জনগণ যদি গণভোটে পিআর পদ্ধতিকে গ্রহণ করেন তাহলে পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের এবং জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করার। জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি যখন গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে প্রকাশ্যে দ্ব›েদ্ব লিপ্ত তখনই অন্তর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি এবং নির্বাচনের একটি রূপরেখা প্রণয়ন করেন। তাঁর ভাষণে কোন দলই পরিপূর্ণভাবে খুশি না হলেও মোটামুটি বিরোধিতার কোন সুযোগ নেই। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণের মাধ্যমে তিনি যে বাজিমাত করেছেন তাতে কেউ বিরোধী হয়ে রাস্তায় নামেনি।জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ টি সমমনা রাজনৈতিক দল পিআর পদ্ধতি , দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ এবং উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের জন্য যে প্রস্তাব দিয়েছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর ভাষণে সে প্রস্তাবকে গণভোটে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তাছাড়া তিনি দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেন আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলির ঐক্যমত্যে যে সনদ প্রণয়ন করেছিলেন তা লঙ্ঘন করছেন। জামায়াতে ইসলামির নায়েবে আমির সাবেক এমপি ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের তাৎক্ষণিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে কিছু বিষয়ে তাঁরা একমত হলেও গণভোট বিষয়ে জাতির আকাক্সক্ষা পূরণ হয়নি। এনসিপি প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি প্রদানের জন্য গেজেট প্রকাশ করায় স্বাগত জানিয়েছেন। এছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টির সদস্য সচিব মুজিবুর রহমান মঞ্জু সুস্পষ্ট একটি রূপরেখা প্রণয়ন করায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে স্বাগত জানিয়েছেন। দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ নিয়ে এতদিন বিএনপি বিরোধিতা করে এসেছিল। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা, পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছিলো। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিএনপি’র বিষয়টিকে উপেক্ষা করে জামায়াতে ইসলামীর দাবিটিকে গণভোটে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তাছাড়া একই দিন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠানের বিষয়টির বিরোধিতা করে আসছিল জামায়াত তিনি বিষয়টিকে উপেক্ষা করে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়টিকে একসাথে করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর ভাষণে মূলত রাজনৈতিক দলগুলি পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হলেও কোন দলই অসন্তুষ্ট হয়েছে বলে মনে হচ্ছেনা। কেননা কোন দলের একক আধিপত্য বা একক দাবিকে তিনি প্রাধান্য দেননি। তিনি নিজের মত করে এক একটি দলের এক একটি দাবিকে গ্রহণ করে প্রতিটি দলকেই সন্তুষ্ট রাখার জন্য সচেষ্ট ছিলেন। ১৩ ই নভেম্বর শেখ হাসিনার রায়ের দিন ধার্য হওয়ার কথা থাকায় ঐদিন আওয়ামী লীগ ঢাকা সহ সারা দেশে লকডাউনের ঘোষণা দেন। তবে সরকারের সাথে জুলাই অভ্যুত্থানের স্বপক্ষের শক্তি জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপিসহ সব দলের নেতা কর্মীরা উৎসবমুখর পরিবেশে মাঠ দখলে ছিলেন। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা সংঘটিত হয়নি। আওয়ামী লীগের কোন নেতা কর্মীকেও রাজপথে দেখা যায়নি। যদিও ওই দিনটি ছিল শেখ হাসিনার বিচারের রায় কখন হবে তা নির্ধারণের দিন। জুলাই অভ্যুত্থানের স্বপক্ষের শক্তির মধ্যে বিরোধের জের ধরে আওয়ামী লীগ মাঠ দখলের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের স্বপক্ষের সব দলই আওয়ামী লীগের এই কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে রাজপথ দখলে রেখেছিলেন। সর্বশেষ শেখ হাসিনার বিচারের রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ নভেম্বর। বিএনপিসহ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি সকল দলের একটাই দাবি শেখ হাসিনার ফাঁসি রায় এবং কার্যকর করা। এ বিষয়ে কোন দলই বিরোধিতা করেনি। তবে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি গণভোট ও পিআর পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধিতায় রাজনৈতিক সংকট নিরসনে প্রধান উপদেষ্টা যে ভাষণ ও রূপরেখা দিয়েছেন তাতে কোন দলই এককভাবে নিজেদের দাবি আদায় করতে পারেনি। জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের দাবি ছিল জুলাই সনদের আইনে ভিত্তি প্রদানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্বাক্ষর করে গ্যাজেট প্রদানের জন্য। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস সকল উপদেষ্টাদের নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর সবার সম্মতিতে সকল উপদেষ্টার স্বাক্ষর এবং নিজের স্বাক্ষরের পর রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে জুলাই সনদের গেজেট প্রকাশ করেন। জুলাই সনদের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনে ভিত্তি পেল। গণভোট ও নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন যেই দলই সরকার গঠন করুক না কেন তারা নিজেদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করবেন। তবে বিএনপি’র নোট অফ ডিসেনকে গণভোটের রাখা হয়নি।চারটি বিষয়ে ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হবে। তারা কি এ বিষয়ে একমত আছেন নাকি বিরোধিতা করেন? একমত হলে হ্যাঁ। দ্বিমত পোষণ করলে না ভোট দিতে হবে। যে চারটি বিষয়ে ভোটারদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হবে সেই চারটি বিষয়ে একটি প্রশ্নে হবে গণভোট। ভাষণে প্রশ্ন পড়েও শোনান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, প্রশ্নটি হবে এ রকম: ‘আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কারসম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?’
ক. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে। খ. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষবিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে। গ. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে। ঘ. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রæতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে। জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘গণভোটের দিন এই চারটি বিষয়ের ওপর একটিমাত্র প্রশ্নে আপনি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে আপনার মতামত জানাবেন।’
উল্লেখ্য যে বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে বারো কোটি ভোটার রয়েছে। সুষ্ঠুভাবে ভোট করার জন্য অনেক রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার জন্য আহবান জানিয়েছেন। বিগত সাডে ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে দিনের ভোট রাতে করে অবৈধভাবে সরকারের অধিষ্ঠিত ছিল। ফলে জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবার জনগণের আশা ও আকাক্সক্ষা জনগণ তাদের হারানো ভোটাধিকার ফিরে পাবে। নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পারবেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বারবার জনগণকে আশ্বস্ত করে আসছেন উৎসবমুখর পরিবেশে আপনারা নিজেদের ভোট প্রদান করতে পারবেন। তরুণ ভোটারদের মধ্যে এ নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই। তরুণ ভোটাররা এবং তরুণ প্রজন্ম পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ডাকসু থেকে রাকসু নির্বাচনে বিএনপি’র ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল নিজেদের কর্মকান্ডের কারণে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির নিজেদের কর্মকান্ড সততাও নিষ্ঠার কারণে সবার মন জয় করে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে। তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাক্সক্ষা দেশের রাজনীতি হোক জনকল্যাণে এবং জবাবদিহিতামূল। যেখানে থাকবে না সরকারের হস্তক্ষে ও সেচ্ছাচারিতা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতির মত গুরুতর অপরাধ। আগামী ২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠের নির্বাচনের সময়ই বলে দেবে কোন দল ক্ষমতাসীন হবে। যদিও জুলাই সনদের ভিত্তি এবং গণভোটের মাধ্যমে একথা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে সংবিধান সংস্কার এবং সংখ্যানুপাতিক দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদীয় ব্যবস্থার। এভাবে নির্বাচন হলে সরকারি দলের একচ্ছত্র আধিপত্যের কোন সুযোগ থাকবে না। জুলাই সনদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাসকরণ এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধিকরণের জন্য সুপারিশও করা হয়েছে। এক কথা সুস্পষ্ট যে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে কোন দলই পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হলেও আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে কোন দলের বিরোধিতা করার সুযোগ নেই। এবার দেখার বিষয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিভাবে নির্বাচন পরিচালনা করেন। যদি তাঁরা সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারেন এবং জনগণ নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পারেন তাহলে নজির হয়ে থাকবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কর্মকান্ড। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের সময় তিনটি বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে সরকার গঠন করেছিল। জুলাই গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। ইতোমধ্যে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি পেল। আগামী ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারের প্রথম রায়ের মাধ্যমে বিচারের পথ সুগম হচ্ছে। এবার নির্বাচন আয়োজন করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দেখার বিষয় ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কোন দল ক্ষমতা গ্রহণ করে। জনগণের আকাক্সক্ষা যে দলই সরকারে আসুক না কেন সরকার হবে জবাবদিহিতার,জনকল্যাণের ও জনআকাক্সক্ষার ।
লেখক: গবেষক, কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক