জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সামান্যতম সম্ভাবনাও না থাকায় জামায়াত এখন প্রকাশ্যে প্রশাসনকে অধীনস্থ করার হুমকি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করে তিনি বলেন, এটাই জামায়াতের আসল চরিত্র। শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যে গণতন্ত্র, নির্বাচন ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা প্রকাশ পেয়েছে। এটি সরাসরি রাষ্ট্রযন্ত্র নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা। এমন বক্তব্য দিয়ে তারা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এই বক্তব্য শোনার জন্য জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা রক্ত দেয় নাই। এটি গণতন্ত্রকে উপহাস করা ছাড়া আর কিছুই নয়। স্কুল কলেজের শিক্ষক, প্রশাসন, ওসি, পুলিশসহ সরকারি-বেসরকারি সবস্তরের মানুষকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনা রাজনৈতিক গুন্ডামিরই প্রকাশ।
গতকাল সোমবার বিকেলে নগরীর ধনিওয়ালা পাড়া বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের সামনে চট্টগ্রাম- ৯ সংসদীয় আসনের ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদানে উৎসাহিত করে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠনের লক্ষ্যে পাঠানটুলী ওয়ার্ড এলাকায় গণসংযোগ পূর্ববর্তী পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।এসময় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু করে ডিটি রোড, শেখ মুজিব রোড, চৌমহনী, পাঠানটুলী রোড ও কদমতলী দস্তগীর চত্তর এলাকায় গণসংযোগ ও সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন।
২৩নং পাঠানটুলী ওয়ার্ড বিএনপির আহব্বায়ক আবদুর হালিমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এম এ হাসনাতের পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির যুগ্ম আহব্বায়ক নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা। উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মোস্তাফিজুর রজমান বুলু, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহব্বায়ক হাজী মো. মহসিন, ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহব্বায়ক সুলতান মাহমুদ খান সুমন, যুগ্ম আহব্বায়ক আকবর কবির ডিউক, সিরাজুল ইসলাম, সিরাজুল মোস্তফা, আব্বাস উদ্দিন, মো. আজাদ, আবু তাহের, মো আলী, সদস্য মো. শাহজাহান, মো. আজাদ, আনু মিয়া বাবুল, মো. হাসান, মো. নাছির উদ্দীন, আমির উদ্দিন বাবুল, মো. আজিম, বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে মজিবুর রহমান মজিব, মো. ইদ্রিস, মো. নূর মো. রুবেল, আকরাম খাঁন, মো. জনি খান, মো. খোকন, মো. ফারুক, মো. ফরিদ, মো. কাশেম, আনোয়ার হোসেন আনু, মো. আলমগীর, মো. জাহেদ, দেলোয়ার হোসেন, মো. আরিফ, মো. নবী, মো. আরফান প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি











