নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামে মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত পক্ষকালব্যাপী কর্মসূচি সফল করতে গতকাল শনিবার নাসিমন ভবনস্থ মহানগর বিএনপির কার্যালয় চত্বরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় সভার প্রধান অতিথি বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, জনগণের শক্তিই বিএনপির প্রকৃত ভিত্তি, আর সেই শক্তিই দলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা পুনরুদ্ধারের পথে।
এতে সভাপতিত্ব করেন নগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম এবং নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঐতিহাসিক কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তা জাতির অস্তিত্ব রক্ষার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বিজয় দিবস উপলক্ষে সেদিন সকাল ১১ টায় সেই কালুরঘাটেই মশাল প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হবে। তিনি জানান, দুপুর ২ টার জনসভাকে সর্বস্তরের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত করতে প্রতিটি ইউনিটের নেতাকর্মীকে নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ এবং সংগঠনী শক্তি নিয়ে মাঠে নামতে হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি আজ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষক শক্তি। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রগঠন এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় দলটি জন্মলগ্ন থেকেই আপোষহীন ভূমিকা রেখে আসছে। দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লেই বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে স্বৈরাচারী শক্তি ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছে- এটাই বিএনপির মূল শক্তি, জনগণের শক্তি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বিপ্লব উদ্যানের জনসভাকে সত্যিকার অর্থে জনসমুদ্রে পরিণত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার রক্ষার আন্দোলন বিএনপি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই চালিয়ে আসছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই দেশনেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের রায়ের ভিত্তিতে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের পথে দেশ এগিয়ে যাবে।
প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহব্বায়ক সৈয়দ আজম উদ্দিন, অ্যাড. আব্দুস সাত্তার, কাজী বেলাল উদ্দিন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, শিহাব উদ্দিন মোবিন, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু।
এছাড়া যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, নগর বিএনপি সদস্য ইকবাল চৌধুরী, এম এ হান্নান, ইসকান্দর মির্জা, মুজিবুল হক, মো. খোরশেদ আলম, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ জাফর, গাজী আইয়ুব, এম এ সবুর, নুরু উদ্দিন হোসেন নুরু, মোহাম্মদ আজম, আশরাফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইউসুফ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বুলু, সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, জাসাস আহব্বায়ক মুসা বাবলু, সদস্য সচিব মোহাম্মদ শিপন, তাঁতিদলের আহব্বায়ক সেলিম হাফেজ, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।











