চট্টগ্রাম বন্দরে একদিনে ৬ হাজার ৩০১টি গেট পাস ইস্যু হয়েছে। গত মঙ্গলবার এসব গেট পাস ইস্যু হয়। এর মধ্যে কনসাইনি গেট পাস ছিল ৪ হাজার ৭৩৪টি, অফ ডক গেট পাস ছিল ১ হাজার ৫৬৭টি। গেট পাসের এই সংখ্যা একদিনে সর্বোচ্চ এবং নতুন রেকর্ড বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি প্রবাহের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। জাতীয় অর্থনীতি, শিল্পায়ন ও বাণিজ্য স¤প্রসারণে বন্দরটি বহু বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিদিনের কার্যক্রমে গতি, স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম বন্দর দেশের উন্নয়ন, রাজস্ব বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতায় বড় ধরনের অবদান রেখে চলেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, চট্টগ্রাম বন্দর ডিজিটালাইজেশনে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। আধুনিক প্রযুক্তি, আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেম (টিওএস) অ্যাপ- এর সফল ব্যবহার বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও দক্ষ করেছে। এর ফলে সার্বিক পোর্ট অপারেশনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লক্ষ করা যাচ্ছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের কারণে দ্রুত কনটেইনার হ্যান্ডলিং, গেট অপারেশন, ডকুমেন্ট প্রসেসিং এবং রিয়েল-টাইম মনিটরিং সম্ভব হওয়ায় সেবার মান যেমন বেড়েছে, তেমনি ব্যবসায়ীদের সময় ও খরচ দুই-ই কমেছে। বন্দরকে আরও স্মার্ট ও অটোমেশন নির্ভর করতে গৃহীত উদ্যোগ ভবিষ্যতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে। চট্টগ্রাম বন্দরের এই ধারাবাহিক সাফল্য বাংলাদেশের সমগ্র বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি











