চট্টগ্রাম শহরে ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ঝুঁকি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ভূমিকম্পে ভবনের নিরাপত্তা, ভূমিকম্প-পরবর্তী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, নগরবাসীর সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরুরি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
গতকাল সোমবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে আয়োজিত সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে একটি কমিটি গঠন করা হয়। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) কর্তৃক চিহ্নিত নগরের ১০৩টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দ্রুত অপসারণ এবং অতিরিক্ত আরও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্তকরণের লক্ষ্যে চসিকের আইন কর্মকর্তাকে আহব্বায়ক করে ৫ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে চসিকের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেটকে সদস্য সচিব এবং সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী এবং একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সদস্য করা হয়েছে। কমিটি চিহ্নিত ১০৩টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সভায় ভ‚মিকম্প সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া দুর্যোগ মোকাবিলা সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে চসিক গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, ওয়ার্ডভিত্তিক মাইকিং, লিফলেট ও প্রচারপত্র বিতরণ, প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটিতে সচেতনতামূলক সভা, স্বেচ্ছাসেবক দল প্রস্তুতকরণসহ একাধিক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় সভায়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ভূমিকম্প প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে, যথাযথ প্রস্তুতি থাকলে এর ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ, নতুন ঝুঁকি শনাক্তকরণ এবং নগরবাসীকে সচেতন করতে চসিক সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। জনগণের জীবন-নিরাপত্তাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। চসিক জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রæত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করছে।
সভায় চসিকের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, আইন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মুরাদ, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলমসহ প্রকৌশলীবৃন্দ ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি











