ক্রীড়া প্রতিবেদক
নিজেদের মাঠে চট্টগ্রামকে লজ্জায় ডুবিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ টিমের ব্যাটারা। জাতীয় লিগে নবাগত ময়মনসিংহ বিভাগের আসাদুল্লাহ গালিবের আগুনে বোলিংয়ে ৫৯ রানেই গুটিয়ে গেছে চট্টগ্রাম বিভাগ। জাতীয় লিগের ইতিহাসে যা তাদের সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ২১ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন আসাদুল্লাহ হিল গালিব, ময়মনসিংহ বিভাগ ম্যাচ জিতে নিয়েছে ২৫১ রানে। খেলা শেষ হয়েছে তিন দিনে।
আগের রাউন্ডেও পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ছিল চট্টগ্রাম বিভাগ। সেই দলই এবার বাজেভাবে হেরে আসরে প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেল।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২ উইকেটে ৮২ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে ময়মনসিংহ। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকে ফিফটির স্বাদ পান আজিজুল হাকিম। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক আউট হন ৬৫ রানে।
এছাড়া অভিজ্ঞ আল আমিন করেন ৩১ রান। আর কোনো ব্যাটসম্যান সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি। ৩৪ রানের মধ্যে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ময়মনসিংহ গুটিয়ে যায় ২৩২ রানে।
চট্টগ্রামের বাঁহাতি স্পিনার আশরাফুল আলম রোহান ৬ উইকেট নেন ৭৩ রানে।
প্রথম ইনিংসে ৭৮ রানে পিছিয়ে থাকা চট্টগ্রামের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩১১। শুরু থেকেই একর পর এক দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে তারা পারেনি কোনো সম্ভাবনা জাগাতেও।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই দুটি উইকেট শিকার করেন আসাদুল্লাহ গালিব। এই পেসারের সঙ্গে আরেকপাশে শুভাগত হোমও দারুণ বোলিং করেন। ধসে পড়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিং। গুটিয়ে যায় মাত্র ৫৯ রানেই।
জাতীয় লিগে তাদের আগের সর্বনিম্ন ছিল ২০১১ সালে ৭২।
গালিব ৬ উইকেট নিলেও প্রথম ইনিংসের ফিফটির সঙ্গে ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দা ম্যাচ ময়মনসিংহের অধিনায়ক শুভাগত হোম।
ময়মনসিংহ বিভাগ ১ম ইনিংস: ২৮৮, চট্টগ্রাম বিভাগ ১ম ইনিংস: ২১০।
ময়মনসিংহ বিভাগ ২য় ইনিংস: ৭৭ ওভারে ২৩২ (তামিম ৬৬, মজিদ ১১, আইচ ১৮, আল আমিন ৩১, শুভাগত ৬, তাহজিবুল ১, আরিফ ২, মারুফ ১২*, গালিব ২; ইফরান ৮-০-৩৪-১, রোহান ২৪-৪-৭৩-৬, নাঈম ৩৩-৬-৮৪-৩)। চট্টগ্রাম বিভাগ ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৩১১) ২০.১ ওভারে ৫৯ (সাদিকুর ০, পারভেজ ৬, পরান ০, শাহাদাত ১১, শামীম ১৩, ইরফান ১০, নাঈম ১, রোহান ৪, রুবেল ১, ইফরান ০, ফাহাদ ৪*; শুভাগত ৯.১-১-২৬-৩, গালিব ১০-১-২১-৬)।











