এজহার মিয়া ছিলেন শোষণমুক্ত সমাজ গঠনে আপোষহীন

46

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদ বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা এজহার মিয়া অত্যন্ত সাহসী ও আমৃত্যু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুসারী ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর সৃষ্ট আতঙ্কময় পরিবেশে চট্টগ্রাম থেকে প্রথম বঙ্গবন্ধুর কবর জেয়ারতে টুঙ্গীপাড়া যান তিনি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী হিসেবে এজহার মিয়া একাধিকবার কারাবরণ করেন। একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এজহার মিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ত্যাগ-তিতিক্ষার নিদর্শনস্বরূপ চির ভাস্কর হয়ে থাকবেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শোষণমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এজহার মিয়া ছিলেন আপোষহীন। আজ ২৬ জানুয়ারি ২০১৯ ইং শনিবার বাদে মাগরিব নগরীর দারুল ফজল মার্কেটস্থ মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যালয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এজহার মিয়ার ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি এ স্মরণ সভার আয়োজন করেন। স্মরণ সভায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন দারুল ফজল মার্কেট জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আলহাজ্ব ফজল আহমদ।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান সজীবের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কাজী রাজিশ ইমরানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. সরওয়ার আলম চৌধুরী মনি। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডের সহকারী কমান্ডার মো. খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), সহকারী কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, জাকির হোসেন, অঞ্জন কুমার সেন, শম্ভু দাশ, মাইনুল হোসেন, কামরুল আলম জতু, সলিম উল্লাহ, মো. অহিদ উল্লাহ, মো. ফারুক, গোলাম নবী, মুক্তিযোদ্ধা এজহার মিয়ার সন্তান এম কে জামান, সন্তান কমান্ডের মহানগর সদস্য মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, হাসান মো. আবু হান্নান, মেজবাহ উদ্দিন আজাদ, সৈয়দ ওমর আলী, শফিউল আজম খোকন, আরমান উদ্দিন, মনির হোসেন বিজয়, শাহ আলম মুন্না, সৈয়দ আল মাসুদ, জামাল উদ্দিন ও এহতেশামুল হক খোকন প্রমুখ । বিজ্ঞপ্তি