মিরসরাই প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ জিপশন চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের নির্বাচনী কেন্দ্র কমিটির প্রস্তুতি সভায় ‘অস্ত্র’ নিয়ে একটি বক্তব্যকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে এলে জিপশনকে নোটিশ করে ৩ দিনের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় মিরসরাই উপজেলার ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী কেন্দ্র কমিটির প্রস্তুতি সভায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ জিপশন নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে বিজয়ী করতে কেন্দ্র কমিটিতে যারা বুকে অস্ত্র নিয়ে এগিয়ে যাবে, সেসব সাহসীদের রাখতে হবে।’ এই মন্তব্যটি ঘিরে দলের ভেতরে ও বাইরে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এদিকে গত ২৬ নভেম্বর যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভ‚ঁইয়া স্বাক্ষরিত এক নোটিশে ইফতেখার মাহমুদ জিপশনকে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা জানাতে ৩ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের সম্মুখে কেন্দ্রীয় দপ্তরে উপস্থিত হয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তার বক্তব্য দল ও দলের ভাবমূর্তি বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, যা দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইফতেখার মাহমুদ জিপশন বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। কেউ দলের ঊর্ধ্বে নয়। আমি শীঘ্রই যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের সামনে উপস্থিত হয়ে আমার বক্তব্যের সঠিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘মূলত আমি বুকে অস্ত্র নেওয়া বলতে সাহসীদের বুঝিয়েছি। আমার বক্তব্যকে বিকৃত বা ভুলভাবে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে। আমি দলের প্রতি দায়বদ্ধ থাকায় বিষয়টি পরিষ্কার করতে কেন্দ্রীয় কমিটির সামনে হাজির হবো।’











