সংবিধানের যে সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনকালীন তত্ত¡াবধায়ক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল, সেই ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের রায় জানা যাবে ২০ নভেম্বর। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারকের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার রায়ের জন্য এ তারিখ ধার্য করে দিয়েছে। পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের কিছু অংশ বাতিল করে হাই কোর্টের দেওয়া এক রায়ের ফলে ইতোমধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ফেরার পথ তৈরি হয়েছে। খবর বিডিনিউজ’র
এখন ত্রয়োদশ সংশোধনীর এ মামলায় সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে স্পষ্ট হবে– তত্ত্বাবধায়ক সকার ব্যবস্থা ফিরবে কি না এবং ফিরলে কবে, কীভাবে তা চালু হবে। টানা ১০ দিন শুনানি শেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এ মামলার রায়ের দিন ঠিক করে দিল।
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের অন্য ছয় সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।
রিটবারী পক্ষে এ মামলায় শুনানি করেন আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। বিএনপির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছিলেন মোহামদ শিশির মনির। এছাড়া ইন্টারভেনর হিসেবে ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির শুনানি করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন।
তত্ত¡াবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে গত ২৭ অগাস্ট আপিলের অনুমতি দেয় পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনের চাপে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান এনে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী সংসদে পাস করে তৎকালীন বিএনপি সরকার।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ১৯৯৮ সালে ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী। পরে বিএনপি সরকারের সময়ে ২০০৪ সালের ৪ অগাস্ট সেই রিট খারিজ হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বৈধই থাকে।











