নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার আটটি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় আটটি ইটভাটাকে প্রায় ১৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় ইটভাটাগুলো চিমনিসহ কিলন ধ্বংস করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার হাটহাজারী উপজেলার চারিয়া ও ধলঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। ছাড়পত্র না থাকা ও অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করায় পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ওই অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ান-উল-ইসলাম। চিমনিসহ গুঁড়িয়ে দেওয়া ইটভাটাগুলো হলো মেসার্স কর্ণফুলী ব্রিকস, মেসার্স চারিয়া মেঘনা ব্রিকস, মেসার্স কাদেরিয়া ব্রিকস, মেসার্স কাজী ব্রিকস ম্যানুঃ, মেসার্স শাহেন শাহ ব্রিকস ফিল্ড, মেসার্স চট্টলা ব্রিকস, মেসার্স সেঞ্চুরি ব্রিকস, মেসার্স হিমালয় ব্রিকস। এর মধ্যে মেসার্স কর্ণফুলী ব্রিকসকে ১ লাখ টাকা, মেসার্স হিমালয় ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা ও বাকী অবৈধ ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যলয়ের রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, লোকালয় এলাকায় অবৈধভাবে ভাটাগুলো পরিচালনা করা হচ্ছিল। কোনোটিরই পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই। এছাড়াও বন ধ্বংস করে কাঠ পোড়ানো হয়। এসব কারণে ইটভাটাসমূহ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনে ও বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে জরিমানা আদায় এবং চিমনিসহ কিলন ধ্বংস করা হয়।
তিনি আরো বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মোজাহিদুর রহমান, সিনিয়র কেমিস্ট জান্নাতুল ফেরদৌস, পরিদর্শক চন্দন বিশ্বাস ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাজী ইফতেকার উদ্দিন। এছাড়াও র্যাব-৭, পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।











