বাংলা বছর বরণে বৈশাখের প্রথম দিনে নববর্ষ উদ্যাপনের ঐতিহ্যবাহী আয়োজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ করলেও প্রথমবারের মত অগ্রহায়ণের শুরুতে ‘নববর্ষ’ উদ্যাপনের ঘোষণা দিয়েছে ডাকসু। ‘আদি নববর্ষ’ হিসেবে সেদিন নবান্ন উৎসবের আয়োজন করা হবে। আগামিকাল রবিবার বাংলা নববর্ষ শুরুর এতদিনের রীতির বিপরীতে ১ অগ্রহায়ণ এ আয়োজন করতে চায় নবনির্বাচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। খবর বিডিনিউজের
বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় ‘বিপ্লবী সাংস্কৃতিক ঐক্য’ এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী ‘আদি নববর্ষের’ উৎসব আয়োজনের ঘোষণা ও কর্মসূচি গতকাল শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন ডাকসুর নেতারা।ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক ইবনে আলী মোহাম্মদ বৈশাখের বদলে অগ্রহায়ণে ‘আদি নববর্ষের’ এ আয়োজন করার যুক্তি তুলে ধরেন। চার পর্বে আয়োজিত অনুষ্ঠান রবিবার সকালে শুরু হবে রঙতুলিতে নবান্নের ছবি আঁকার মাধ্যমে। এসব অনুষ্ঠান চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত।
বাংলা নতুন বছর বরণে আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন করে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে এ কর্মসূচি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়, পায় ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতিও।
গত শতকের আশির দশকে সামরিক শাসনের অর্গল ভাঙার আহবানে পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়েছিল; সেটিই পরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় রূপ নেয়। ২০১৬ সালে তা ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায়।
পহেলা বৈশাখের সকালে বরাবরই রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। নববর্ষ উদ্যাপনে তার আগে থেকেই শাহবাগ এলাকা রূপ নেয় জনারণ্যে।










